• ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Viral Video

কলকাতা

“আমাকে গ্রেপ্তার করুন!” নিউটাউনের রাস্তায় টলোমলো পায়ে বিডিওর কাণ্ডে তোলপাড়

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোমবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নিউটাউনের সারচি সিগন্যালের সামনে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় এক বাইকচালককে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত বর্মন। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন ওই বাইক আরোহী। পরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা প্রতিবাদ শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত বিডিও রাস্তাতেই চিৎকার শুরু করেন এবং প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নানা হুমকি দেন। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে কখনও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করতে, আবার কখনও চড় মারার হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, এক সময় তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে টলোমলো পায়ে পুলিশকে বলছেন, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটের ইকো পার্ক থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিডিওকে আটক করে নিয়ে যায়।যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বিমানে উঠতেই মহুয়ার দিকে ‘চোর’ স্লোগান! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল শোরগোল

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জায়গায় জনরোষের মুখে পড়ছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এর আগে গণনাকেন্দ্রে অভিনেতা-পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর দিকে কাদা ছোড়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। অভিনেতা দেবকেও প্রকাশ্যে চোর স্লোগানের মুখে পড়তে হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।শুক্রবার দিল্লিগামী বিমানে উঠেছিলেন মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, তাঁকে দেখামাত্রই কয়েকজন সহযাত্রী আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং স্লোগান দিতে শুরু করেন। বিমানের ভিতরেই ওঠে, পিসি চোর, ভাইপো চোর, তৃণমূলের সব চোর স্লোগান। আচমকা এমন পরিস্থিতিতে অস্বস্তিতে পড়ে যান তৃণমূল সাংসদ। তিনি নিজের আসনে বসে পড়েন। পরে বিমানকর্মীরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই দলের একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে প্রকাশ্যে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, অভিনেতা দেব কার্যত টি-শার্ট দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছেন। সেই ঘটনার পর এবার মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে নতুন ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ইতিমধ্যেই বিমানের ভিতরের সেই ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ভোটের ফলের পর কি রাজ্যে জনরোষ আরও বাড়ছে? যদিও এই ঘটনা নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি মহুয়া মৈত্র।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

ভিড়ের মাঝে আগুনঝরা ভাষণ, তারপর গা ঢাকা! বাগডোগরায় ধরা পড়লেন মোফাক্কেরুল

বুধবার কালিয়াচকের ঘটনার পর একটি ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, একটি গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে এক ব্যক্তি ভিড়ের মাঝে বক্তৃতা দিচ্ছেন। তাঁর কথা শুনে উপস্থিত অনেকেই হাততালি দিচ্ছেন এবং মোবাইলে সেই মুহূর্ত রেকর্ড করছেন। ঘটনার পর থেকে ওই ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।অবশেষে শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের নাম মোফাক্কেরুল ইসলাম। পুলিশের দাবি, তিনি বেঙ্গালুরুতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন।পুলিশ জানিয়েছে, কালিয়াচকে বিচারকদের ঘেরাও করার ঘটনায় মোফাক্কেরুল ইসলামের উস্কানি ছিল। এই ঘটনায় তাঁর নামে তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি কেন মালদহে গিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা যায়, ২০২১ সালে তিনি একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে তারপর রাজনৈতিক ময়দানে তাঁকে খুব একটা দেখা যায়নি। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি প্রার্থী না হলেও, তাঁর দল মালদহ জেলায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও এই ঘটনার পর ওই দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।রাজনীতির পাশাপাশি মোফাক্কেরুল ইসলাম পেশায় একজন আইনজীবী। আগে তিনি জেলা আদালতে কাজ করতেন, বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করেন। হাইকোর্টে তাঁর বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে বলেই জানা গেছে। অনেকেই তাঁর বক্তব্য শুনতে ভিড় করেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাঁর প্রচুর অনুসারী রয়েছে।গ্রেফতার হওয়ার আগে তিনি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে নিজের গ্রেফতারির কথা জানান। গত কয়েকদিন ধরে তিনি বিভিন্ন রাজ্যের ছবি ও ভিডিয়ো পোস্ট করছিলেন, যাতে মনে হয় তিনি রাজ্যের বাইরে রয়েছেন। কখনও তেলেঙ্গানা, কখনও তামিলনাড়ু, আবার কখনও পাঞ্জাবের আদালতের ছবি শেয়ার করেছিলেন। এমনকি একটি ভিডিয়োতে তিনি কেরল যাওয়ার কথাও বলেন।তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের পালটা আঘাত? কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন যুদ্ধবিমান, ভাইরাল বিস্ফোরণের ভিডিও

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুয়েতে। তেহরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের মাটিতে ভেঙে পড়ল আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ পনেরো। প্রাথমিক অনুমান, ইরানের হামলার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানটি। যদিও শেষ মুহূর্তে পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন বলে জানা যাচ্ছে।ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মাঝ আকাশে বিস্ফোরণের পর আগুন জ্বলতে জ্বলতে প্রায় তিরিশ সেকেন্ড চক্কর খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। এই ভিডিও ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।তবে দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি আমেরিকা বা কুয়েত। একাংশের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় বিমানটি ভেঙে পড়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের মতে, ভুলবশত মিত্রপক্ষের হামলাতেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পর থেকেই পালটা আঘাত হানছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক মার্কিন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।রবিবার ইরান রিভলিউশনারি গার্ড দাবি করে, তারা আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনের উপর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার তরফে এখনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল। ইরান-আমেরিকা সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

মোদির উদ্বোধন করা ট্রেনেই আবর্জনার পাহাড়, ভাইরাল ভিডিওতে ক্ষোভ

ভোটের মুখে বাংলায় এসে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু উদ্বোধনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিতর্কে জড়াল সেই আধুনিক ট্রেন। হাওড়া-গুয়াহাটি (কামাখ্যা) রুটের বন্দে ভারত স্লিপারের পরীক্ষামূলক যাত্রার সময় ট্রেনের ভিতরের একাধিক ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। ঝাঁ-চকচকে নতুন ট্রেনের কোচের মেঝেতে ছড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে প্লাস্টিকের প্যাকেট, চামচ ও বিভিন্ন আবর্জনা। উদ্বোধনের দিনেই যাত্রীদের আচরণ নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন।১৭ জানুয়ারি, শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয় হাওড়া-গুয়াহাটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। যদিও বাণিজ্যিকভাবে এই ট্রেন চলবে ২২ জানুয়ারি, সরস্বতী পুজোর দিন থেকে। উদ্বোধনের দিন পরীক্ষামূলক যাত্রায় বন্দে ভারত স্লিপারের আধুনিক কোচ, উন্নত সুযোগ-সুবিধা এবং প্রায় বিমানের মতো অভিজ্ঞতার ছবি ও ভিডিও সামনে আসে। যা দেখে অনেকেই ট্রেনটিকে ভারতের রেলের নতুন যুগের প্রতীক বলে প্রশংসা করেন। কিন্তু সেই আনন্দের মধ্যেই ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিওতে ধরা পড়ে ট্রেনের ভিতরের নোংরা ছবি।ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্লিপার কোচের মেঝেতে ছড়িয়ে রয়েছে খাবারের প্যাকেট ও আবর্জনা। ওই ভিডিও পোস্ট করে এক ব্লগার সরাসরি যাত্রীদের একাংশের দিকে আঙুল তোলেন। তিনি বলেন, এটা রেলের গাফিলতি নয় বা সরকারের গাফিলতি নয়, এটা যাত্রীদেরই দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, উদ্বোধনের দিনেই একটি নতুন ট্রেনের এই অবস্থা করে ফেলেছি আমরা। এটাই কি আমাদের নাগরিক দায়িত্ববোধ? ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ট্রেন বিশ্বমানের হতে পারে, কিন্তু নাগরিক সচেতনতা এখনও অনেক পিছিয়ে।এই ভিডিও দেখে হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন বহু নেটিজেন। তাঁদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, সাধারণ মানুষেরও। কারণ ট্রেন ব্যবহার করেন যাত্রীরাই। ভাইরাল ভিডিও নজরে এসেছে রেল কর্তৃপক্ষেরও। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, রেলের সম্পত্তি পরিষ্কার রাখা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। এভাবে কোচে আবর্জনা ফেললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।একদিকে যখন যাত্রীদের একাংশের আচরণ নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে, অন্যদিকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের খাবার নিয়েও একাধিক ভিডিও সামনে এসেছে। সেই সব ভিডিওতে খাবারের গুণমানের প্রশংসা করেছেন বেশিরভাগ যাত্রী। বিমানের মতো খাবার পরিবেশন ও পরিষেবায় খুশি অনেকেই। তবে সব প্রশংসার মাঝেও নতুন ট্রেনের প্রথম যাত্রাতেই এই নোংরা ছবি বন্দে ভারত স্লিপারের ভাবমূর্তিতে ধাক্কা দিয়েছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
কলকাতা

দেবলীনা নন্দীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ! ফেসবুক লাইভে কী বললেন দুই যুবক?

গত কয়েকদিন ধরেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী ও সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার দেবলীনা নন্দী। আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনার পর থেকেই তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা আলোচনা চলছে সোশাল মিডিয়ায়। এরই মাঝে প্রকাশ্যে এল নতুন অভিযোগ, যা ঘিরে ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।শনিবার বিকেলে নীল ও রিভু নামে দুই যুবক ফেসবুক লাইভে দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেবলীনা নন্দীর ফেসবুক পেজ তাঁরা পরিচালনা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দেবলীনাকে জনপ্রিয় করে তুলতে তাঁরা নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি, ভিডিও এডিট এবং পেজ ম্যানেজমেন্টের কাজ করেছেন। তাঁদের হাত ধরেই নাকি দেবলীনারের ফলোয়ার সংখ্যা ৭০ হাজার থেকে বেড়ে ১২ লক্ষে পৌঁছয়। কিছু মিউজিক ভিডিওর কাজও করেছেন তাঁরা।অভিযোগকারীদের দাবি, কাজ ছাড়ার পর দেড় বছর কেটে গেলেও তাঁদের প্রাপ্য টাকা দেননি দেবলীনা। বহুবার বকেয়া টাকা চাওয়া হলেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ। তাঁদের আরও দাবি, একাধিকবার ফোনে দেবলীনারের মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রতিবারই নাকি বলা হয়েছে, দেবলীনা অসুস্থ এবং হাসপাতালে ভর্তি।এই ফেসবুক লাইভ ছড়িয়ে পড়তেই সোশাল মিডিয়ায় শুরু হয় জোর আলোচনা। কমেন্ট বক্সে কেউ দেবলীনাকে কটাক্ষ করেন, আবার কেউ অভিযোগকারীদের প্রশ্ন তোলেন, এতদিন পরে কেন তাঁরা এই কথা প্রকাশ্যে আনলেন।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে পারিবারিক সমস্যার কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন দেবলীনা নন্দী। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।এই বিতর্কের মধ্যেই কয়েক ঘণ্টা পর অভিযোগকারীরা তাঁদের আগের ফেসবুক লাইভ ডিলিট করে নতুন একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তাঁরা জানান, প্রথম ভিডিও প্রকাশের পর দেবলীনা নিজে ফোন করে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সমস্ত বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেন। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি দেবলীনা নন্দী।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজনীতি

বিজেপির নারদ আদলে তৃণমূল ভবনে সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও প্রদর্শন, ভয়ঙ্কর আক্রমণ অভিষেকের

নারদ-কাণ্ডে বিজেপি দফতরে ভিডিও ফুটেজ তুলে ধরে তৃণমূলকে নিশানা করেছিলেন গেরুয়া নেতারা। তখনও এরাজ্যে নির্বাচনী আবহ ছিল। এবার সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও তোলপাড় ফেলতেই একই কায়দায় এবার বিজেপিকে পাল্টা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পদ্ম বাহিনীকে কার্যত তুলোধনা করলেন তিনি। অভিষেকের সাফ কথা, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিও বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শনিবার রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পরে যায়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লকের বিজেপি সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল স্বীকার করছেন, মহিলাদের ধর্ষণের ঘটনা পুরোটাই সাজানো। সে জন্য তাঁদের টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।এরপরই এক্স বার্তায় সরব হয়েছিলেন অভিষেক। পরে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। অভিষেক বলেন, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। ভিডিয়োতে উনি বলেছেন, তাবড় তাবড় মালকে গ্রেফতার করানোর কথা। গঙ্গাধর বলেছেন, শুভেন্দু তাঁদের বলেছেন, তাবড় তাবড় মাল গ্রেফতার না করালে তোমাদের কিছু হবে না। খবর যাচাই না করেই বাংলার নামে খবর প্রকাশ করেছে জাতীয় সংবাদমাধ্যমগুলি। তাতে বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। এঁদের প্রত্যেকের উচিত বাংলায় এসে ক্ষমা চেয়ে যাওয়া।পরিকল্পনা করে সন্দেশখালিতে রোবটও নামিয়ে দিল ওরা। যেন মনে হচ্ছিল চাঁদে চন্দ্রযানের প্রজ্ঞান নামছে। এই সব কিছুই দেখানোর জন্য। সব পরিকল্পিত।গঙ্গাধর বলেছে ২০০০টাকা দিয়ে অভিযোগ দায়ের করিয়েছে বাংলায়। রেখা পাত্র যিনি ওই এলাকার লোকসভা ভোটের প্রার্থী তিনিও ওই ২০০০ টাকার বিনিময়েই অভিযোগ করেছিলেন। পিঠে পাটিসাপটা বানানো নিয়ে কত কথা বলেছিল সংবাদ মাধ্যম। কী ভাবে খবর প্রকাশ হয়েছিল! আর এখন এরা বলছে ধর্ষণই হয়নি। উল্টে ধর্ষণ নিয়ে যাতে কোনও পরীক্ষা দিতে না হয়, সে জন্য ৭ মাস আগের অভিযোগ দায়ের করেছে।বাংলাকে কলুষিত করার জন্য বিজেপির পাশাপাশি বিচারমাধ্যমের একাংশও দায়ী বলে মনে করি আমি। এ কথা বলার জন্য যদি আমি আদালত অবমাননার দায়ে পড়ি, তবে পড়ব, কিন্তু সত্যি কথা বলা থেকে আমাকে আটকানো যাবে না। বলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, যারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে মহিলাদের সম্ভ্রম ২০০০ টাকায় বিক্রি করেন, সেই দলকে ভোট দেওয়ার আগে দশবার ভাববেন।আমি চ্যালেঞ্জ করছি গঙ্গাধর কয়ালকে বিজেপি সাসপেন্ড করুক। এ ব্যাপারে সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যও মিলছে না। বিজেপির নেতারা আলাদা আলাদা কথা বলছেন। ওদের আসল চেহারা, ওদের নগ্নরূপ বেরিয়ে গেছে।বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিয়ো বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।বাংলায় ওরা থাকছে, খাচ্ছে আর বাংলার নাম কলুষিত করছে। আসলে বাংলাকে কলুষিত করে দখল করার পরিকল্পনা ছিল বিজেপির। যেভাবে, রাজস্থান, কর্ণাটক দখল করেছে সে ভাবেই বাংলাও দখল করবে। কিন্তু বাংলার দখল নেওয়া অত সহজ নয়। খালি কয়েকটা ভোটের জন্য যা নয় তাই করা হচ্ছে। সমস্যা আদৌ হয়েছে কি না যাচাই না করেই সিবিআই হয়ে যাচ্ছে। সংবিধান মেনে পুলিশকে সুযোগও দেওযা হচ্ছে না। তদন্ত করার সুযোগই দেওয়া হচ্ছে না।ওর (শুভেন্দু অধিকারী) সিবিআইকে বলুন, যদি ক্ষমতা থাকে আমাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে। ওর সিবিআই দেখিয়ে রাজনীতি অন্য জায়গায় করতে বলবেন। সিবিআইয়ের তল্পিবাহকতা করার জন্য বাংলার মানুষ বেঁচে আছে। ওর যদি ক্ষমতা থাকে, তা হলে ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? ওই বেইমানটাকে বলবেন, আমি ওকে বেইমান বলছি, গদ্দার বলছি, ঘুষখোর বলছি। কী করবে করে নিক।

মে ০৪, ২০২৪
রাজনীতি

সন্দেশখালি নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যা বললেন.....

বিরোধী দলনেতার মদতেই হয়েছে। সন্দেশখালি সম্পর্কিত ভাইরাল ভিডিওতে সেই দাবিই শোনা গিয়েছে (সেই ভিডিও জনতার কথা যাচাই করেনি) বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালের মুখ থেকে। এরপরই সরব হয়েছে তৃণমূল। শুভেন্দু অধিকারীকে তুলোধনা করেছেন তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের যুবরাজের সাংবাদিক বৈঠকের পরই এই ইস্যুতে মুখ খুললেন রাজ্যে বিরোধী দলনেতা। তিনি দাবি করলেন, সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকে ই-মেল করে সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল তাঁর বক্তব্যের বিকৃত ভিডিও অভিযোগ আকারে পাঠিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই সন্দেশখালি থেকে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন গঙ্গাধর।ভাইরাল ভিডিওতে বিজেপি নেতার মুখে একাধিকবার শোনা গিয়েছে শুভেন্দুর নাম। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দুর দাবি, এই সব কিছু কয়লা ভাইপোর তৈরি। অর্থাৎ শুভেন্দুর নিশানায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এর আগে এক্স বার্তায় এই ইস্যুতে দাবি করেছিলেন যে, ভোটে হারবেন বুঝেই এ সব করিয়েছেন। তাঁর নিশানায় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।শনিবার সকালে স্টিং অপরেশনের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেই ভিডিয়োতে বিজেপির সন্দেশখালির ২ নং মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, সন্দেশখালিতে ধর্ষণের অভিযোগ সাজানো। এ নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করে তৃণমূল। শুভেন্দু সেই আক্রমণ উড়িয়ে দিয়ে দাবি করেছেন, ভিডিয়োটি বিকৃত।গঙ্গাধরের দাবি ওই ভিডিও বিকৃত। ভিডিওয় তাঁর ছবি এবং কথার মধ্যে কোনও মিল নেই। ভিডিয়োয় বক্তার মুখও স্পষ্ট নয়। এমন ভাবে ভিডিয়োটি এডিট করা হয়েছে, যাতে তা বোঝা না যায়। ভিডিও থেকে বক্তার ঠোঁটের নড়াচড়াও স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছে না বলেই দাবি গঙ্গাধরের। ভিডিয়োর শব্দ স্পষ্ট নয়। ইচ্ছাকৃত অসাধু উদ্দেশ্যেই এমনটা করা হয়েছে বলে অভিযোগ গঙ্গাধরের।

মে ০৪, ২০২৪
রাজ্য

পড়ুয়াদের সঙ্গে নাচছেন অধ্যক্ষ, ভাইরাল ভিডিও, বিরোধীদের নিন্দা

কলেজের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গানের তালে পড়ুয়াদের সঙ্গে নাচছেন অধ্যক্ষ। সেই ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারি কলেজের নবীন বরণ ও বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন, স্থানীয় বিধায়ক ও জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান মধুসূধন ভট্টাচার্য।অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রথম বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের বরণ করার পাশাপাশি নাচ ও গান হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশীষ চক্রবর্তী, মেমারি পুরসভার উপ পৌরপ্রধান সুপ্রিয় সামন্ত। ছবিতে দেখা যায় অধ্যক্ষ দেবাশীষ চক্রবর্তী মঞ্চের নীচে মাঠে কলেজের পড়ুয়াদের সঙ্গে কমলায় নৃত্য করে গানের সাথে দুহাত তুলে নাচছেন। এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আদিবাসী নৃত্যে অংশ নিয়েছিলেন। সাঁওতালি বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা ও অধ্যাপকদের অনুরোধে অংশ নিয়েছিলেন নাচের অনুষ্ঠানে। ছবিতে দেখা যায়, মঞ্চে যখন গান বাজছে তখন মাঠে পড়ুয়ারা নাচতে শুরু করে। সেই সময় অধ্যক্ষকেও দেখা গিয়েছে পড়ুয়াদের মাঝে গিয়ে দুহাত তুলে নৃত্য করতে।এই বিষয়ে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলা সহ-সভাপতি সৌম্যরাজ ব্যানার্জী বলেন, গোটা রাজ্যেই অপসংস্কৃতি চলছে। এটা তার নমুনা। কলেজের অধ্যক্ষ যদি এই ভাবে নাচেন তাহলে রাজ্যের সংস্কৃতি কোথায় গেছে বোঝা যাচ্ছে। আগে শিক্ষকদের সঙ্গে পড়ুয়াদের গুরু শিষ্যের ভালোবাসা ছিল।কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার বলেন, রাজ্যের গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাটাই এখন জেলে। সুতরাং এটাই তো স্বাভাবিক। রাজ্যে সার্কাস চলছে। তার রিং মাষ্টার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন, কি হয়েছে জানি না। তবে সামাজিক মাধ্যমে এই ছবি প্রকাশ হয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখছি।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
বিবিধ

মানুষের সঙ্গে তালে তালে নৃত্য দেশি কুকুরের, দেখুন সেই মজার ভাইরাল ভিডিও

কুকুরের ড্যান্স নিয়ে উত্তাল সোশাল মিডিয়া। যে সে কুকুর নয় একেবারে দেশি কুকুর। এই কুকুরের নৃত্য দেখে সোশাল মিডিয়ায় মানুষজন এতটাই মেতেছে যে লক্ষ লক্ষ ভিউ হয়েছে এই ড্যান্সের ভিডিওর। আপনি দেখলেও মোহিত হয়ে যাবেন।ভিডিও দেখে মনে হচ্ছে কোনও অনুষ্ঠান বাড়ি চলছিল। সেখানে একটু দেশি কুকুর অন্যদের সঙ্গে নিজের তালে তালে নেচে চলেছেন। কুকুরটি পিঠে কালো রং,পায়ের দিকটা লালছে। এই কুকুরের ড্যান্স দেখলে যে কেউ অবাক হতে বাধ্য। কুকুরটির নৃত্য দেখলে মনে হতে পারে সে বোধহয় নাচের প্রশিক্ষণ নিয়েছে। বক্সে গান বাজছে আর আনন্দে আত্মহারা হয়ে চার পায়ের সঙ্গে দেহের তাল মিলিয়ে নেচেই চলেছে কুকুরটি। নিজেও মজা পেয়েছে। দেখুন সেই মজার ভিডিও।

মে ০৩, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল নেতার 'খাইকে পান বেনারসি ওয়ালা' ভাইরাল, উত্তাল সোশাল মিডিয়া, দেখুন ভিডিও

উত্তরবঙ্গের তৃণমূল নেতার উদ্দাম নৃত্য ভাইরাল হতেই তোলপাড় রাজনৈতিক মহল। নাচের সঙ্গে বিকৃত অঙ্গভঙ্গিতে দিলেন দলের স্লোগান। ওই নেতার নাচের দৃশ্য এখন মোবাইলে মোবাইলে ঘুরছে। এই উদ্দাম নৃত্যকে তৃণমূলের অপসংস্কৃতি বলে দাবি করলেন বিজেপি নেতৃত্ব। ভাইরাল ভিডিওর জেরে জলপাইগুড়ির বানারহাটের ব্লক তৃণমূল সভাপতি নয়ন দত্ত এখন খবরের শিরোনামে। এক ভিডিওতেই বাংলাজুড়ে পরিচিতি পেলেন তৃণমূলের নয়ন। যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা।খাইকে পান বানারসি ওয়ালা আবার দয়ালবাবা কলা খাবা এমন সব চটুল হিন্দী-বাংলা গানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উদ্দাম নৃত্য করে ভাইরাল হয়েছেন বানারহাট ব্লকের তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি নয়ন দত্ত। গানের সঙ্গে সমানে চলছে সিটি। এই এক ভিডিও জলপাইগুড়ি ছাড়িয়ে সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে স্পষ্ট, একটি ঘরে বাবু ঘরানায় ফিরে গিয়েছেন তাঁর অনুগামিদের নিয়ে। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক, অপ্রকৃতিস্থ বললেই চলে। বেসামাল হয়ে পড়ে যাচ্ছেন। ঘরের দেওয়াল ধরে বসে পড়ছেন। এর সঙ্গে চলছে জোরদার রাজনৈতিক স্লোগান।তাঁর সঙ্গে তাল মিলিয়ে কোমর দুলিয়েছে ব্লক তৃণমূলের যুবসভাপতি বিমল মাইতিও। সোজা হয়ে দাঁড়াতেই পারছেন না। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিতে মেতে উঠেছেন তাঁরা। হাততালি দিতে দেখা যাচ্ছে অনুগামীদের। নয়ন দত্তের দাবি, এই ভিডিও অনেক পুরনো। তাঁকে ফাঁসানোর জন্য কেউ সেই ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে দিয়েছে।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
সম্পাদকীয়

আলিয়ার ভাইরাল ভিডিও, শিক্ষাঙ্গনে অবহেলিত শিক্ষা ও রাজনীতিকরণ

আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় রাজ্যের শিক্ষামহল। ভিডিও ভাইরাল হতে শোরগোল পড়ে যায় সবমহলেই। নিন্দার ঝড় উঠেছে রাজ্যজুড়ে। ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত গিয়াসুদ্দিন মন্ডলকে। প্রশ্ন উঠেছে রাজ্যের শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে। ঘটনা ভাইরাল হওয়ার পর তৃণমূল ছাত্র পরিষদ জানিয়ে দিয়েছে, ওই ছাত্রকে তাঁরা তিন বছর আগেই সাসপেন্ড করে দিয়েছে। কিন্তু মূল প্রশ্ন হল ভিডিও ভাইরাল না হলে ওই ঘটনা কী সামনে আসত? নাকি ওই অভিযুক্ত গ্রেফতার হত?একজন উপাচার্যকে চেয়ারে বসিয়ে যে ভাষায় কথা বলা হয়েছে তা কোনও সমাজ বরদাস্ত করতে পারে না বলেই শিক্ষামহলের বক্তব্য। তাহলে কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটছে, এই প্রশ্নই সর্বস্তরে। এর আগে রায়গঞ্জ কলেজ, ভাঙর কলেজসহ নানা কলেজে অবান্তর ঘটনা ঘটেছে। এবারও মাত্রা ছাড়ায়েছে। কলেজে ছাত্র রাজনীতি অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাওয়ার ফলে ছাত্র সংসদের নির্বাচনই বন্ধ রেখেছে রাজ্য সরকার, এমনই মনে করছেন শিক্ষামহল। তবে শিক্ষাঙ্গনে গুন্ডারাজ যে কমেনি তার হাতে-নাতে প্রমান এই আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা। কোনও সভ্যজগতে কোনও একজন সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কী এই ঘটনা ঘটানো যায়? প্রশ্নটা শুধু শিক্ষাঙ্গন নয়। এভাবে হেয়, অপমান করার সাহস কোথা থেকে পায়? বর্বরতার চূড়ান্ত।কোনও ঘটনা ঘটলেই হাত ধুয়ে নিতে উঠে-পড়ে লোকজন। যে অকথ্য ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তার নিন্দার কোনও ভাষা হতে পারে না। বাম আমলের মতো এখনও রাজনীতির হাত থেকে রেহাই পায়নি শিক্ষাক্ষেত্র। উপাচার্য নিয়োগ নিয়েও বিস্তর প্রশ্ন রয়েছে। বামেদের সময়েও ছিল। লবির লোক ছাড়া নাকি উপাচার্যই হওয়া যায় না বলে অভিযোগ। শিক্ষার মান সেখানে প্রশ্নের মুখে পড়তে বাধ্য। শিক্ষাক্ষেত্রে শাসন সেখানে থাকতে পারে না। শিক্ষাঙ্গন প্রকৃতই যেদিন রাজনীতিকরণ মুক্ত হবে সেদিন সুস্থ শিক্ষাব্যবস্থা সম্ভব। এই অভব্য ছাত্রসমাজের পিছনে কে বা কারা রয়েছে। সেই সব খতিয়ে দেখলে কেঁচো খুড়তে কেউটে বের হবেই। প্রথমত ছাত্রসমাজকে অহেতুক রাজনীতিতে অপব্যবহার তার সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কে কার লোক। অতএব চিৎকার, চেঁচামেচি জুড়ে কিছু হবে না। নিন্দা করে কোনও লাভ হবে না। একমাত্র সিস্টেমের বদলই পারে শিক্ষাঙ্গণে প্রকৃত মানুষ তৈরি করতে। অন্যায় রাজনীতিকরণ বন্ধ না হলে কেউ ঘটনা নিয়ে হাত ধুয়ে ফেলবে, একদল নিন্দার ঝড় তুলবে। কাজের কাজ কিছুই হবে না।

এপ্রিল ০৩, ২০২২
রাজ্য

মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের মুখে ২০ টাকা পাউচ মদের কথা, শোরগোল রাজনৈতিক মহলে

ভাতারের ওরগ্রাম জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন করতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নে খেই হারিয়ে ফেললেন রাজ্যের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এদিনের অনুষ্ঠানে কুড়ি টাকায় মদের পাউচ পাওয়া যাচ্ছে সেকথাও জানান তিনি। সাংবাদিকদের কাপড় কিনে গরিব দুঃস্থ দের সাহায্য করার পরামর্শও দেন তিনি। মন্ত্রীর অভিযোগ, সাংবাদিকরা সব সময় ভালো কাজের মধ্যেও খারাপ খুঁজে বার করার চেষ্টা করে। তার এহেন কর্মকান্ডে অস্বস্তিতে পড়ে যান উপস্থিত অন্যান্য নেতৃবর্গ, প্রশাসনের লোকজন ও আয়োজকরা।রাজ্যের প্রবীণ মন্ত্রী ২০ টাকার পাউচ মদের কথা বলেছেন। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, কারা এই পাউচ মদের কারবার করে? তাহলে কী পাউচ মদ বিক্রি বন্ধ করার পরামর্শ দিচ্ছেন মন্ত্রী। নাকি ব্যাপক বিক্রি হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন তিনি। অভিজ্ঞ মহলের বক্তব্য, নেতা-মন্ত্রীরা তাঁদের নিজেদের দায়িত্ব পালন করলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন, ভোগান্তিতে পড়বেন না। রাজ্যে একাংশ নেতার অপকর্মেের জন্য কাটমানির অভিযোগ তুলেছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাছাড়া সরকারি নানা প্রকল্প নিয়ে বিস্তর অভিযোগ রয়েছ। পঞ্চায়েত স্তরের নেতৃত্বের চালচলন দেখলেই বুঝতে অসুবিধা হয় না দুর্নীতির বহর কী জায়গায় পৌছেছে। হাজার হাজার রাজপ্রাসাদ তৈরি হয়েছে বাংলায়।

মার্চ ২১, ২০২২
বিদেশ

কোভিড আক্রান্তদের ধাতব বাক্সে বন্দি করছে চিন! ভাইরাল ভয়ঙ্কর ভিডিও

কোভিড সংক্রমিত ব্যক্তিদের ধাতব বাক্সে বন্দি করে রাখা শুরু করেছে চিন সরকার! নেটমাধ্যমে ইতিমধ্যেই ভাইরাল সেই ভিডিও। সংক্রমণকে নাগালে রাখতে নিভৃতবাস, বিচ্ছিন্নবাস, লকডাউন সব পন্থাই নিয়েছে তারা। এত কিছু করেও সংক্রমণ আয়ত্তে না আসায় এই ভয়ঙ্কর পথ বেছে নিয়েছে চিন। আর তাতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ এক ফোনে মিলবে ২৪ ঘন্টা চিকিৎসা পরিষেবা, গলসির হাসপাতালে নয়া উদ্যোগভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, কোভিড সংক্রমিত ব্যক্তিদের বা তাঁদের সংস্পর্শে আসা সকলকে ধাতব বাক্সের মতো ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে রয়েছে একটি খাট, জলের বোতল ও একটি শৌচাগার। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, মধ্য চিনের শাংচি প্রদেশের জিআন শহরে খোলা হয়েছে এই নিভৃতবাস ক্যাম্প। সেখানে বাচ্চা থেকে শুরু করে বয়স্ক, এমনকী, গর্ভবতী মহিলাদেরও অন্তত দুসপ্তাহের জন্য জোর করে রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ। যা নিয়ে বিতর্কও দানা বেঁধেছে।আরও পড়ুনঃ মধুচক্র চালানোর অভিযোগে পাঁচ যুবক গ্রেফতার, চাঞ্চল্য মেমারিতেসিনেমার কোনও দৃশ্যের থেকে কম নয় চিনের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ির চিত্র। অস্থায়ী কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলির সামনে বাসের লম্বা লাইন, ভিতরে জবুথবু হয়ে বসে রয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। চিনের জিরো কোভিড নীতি অনুযায়ী, একজনও করোনা আক্রান্ত হলে, গোটা শহরেরই বাসিন্দাদের যেমন করোনা পরীক্ষা করানো হচ্ছে, তেমনই আবার একজনের রিপোর্ট পজেটিভ এলেই, বাকি এলাকার সমস্ত বাসিন্দাদের ধাতব বাক্সে বন্দি করে রাখা হচ্ছে বাকিদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানো থেকে আটকাতে।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে টানা দুদিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি, কমেছে পজিটিভিটি রেটবাড়তে থাকা কোভিড সংক্রমণের দরুণ জিআন শহরের প্রায় দুকোটি বাসিন্দাকে বাড়িতেই থাকতে বলা হয়েছে। খাবার কিনতে বাইরে বেরোনোর ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা। সোমবার সেখানে ১৩ জন নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। মাত্র দুজন ওমিক্রন সংক্রমিতের সন্ধান পাওয়ার পর চিনের আনিয়াং শহরে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। চিন সংক্রমণ রুখতে এতটাই কড়া অবস্থান নিয়েছে যে, কোনও বহুতলের এক জন বাসিন্দা সংক্রমিত হলেও ওই বহুতলের সকল বাসিন্দাদের নিভৃতবাসে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
দেশ

Money in Pipe: জলের কল খুললেই রাশি রাশি টাকা, তাজ্জব তদন্তকারিরা

জলের পাইপ খুললে জলের বদলে টাকা? গল্প হলেও সত্যি! আয় বহির্ভুত সম্পতির তল্লশি চালাতে গিয়ে তাজ্জব বনে গেলেন অপরাধ দমন শাখার আধিকারিকরা। বুধবার কর্নাটকের বিভিন্ন জায়গায় অকস্মাৎ খানা তল্লাশি চালায় রাজ্য অপরাধ দমন শাখা। তাতেই এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে আসে। বিভিন্ন সরকারি অফিসারদের দপ্তরে ও বাসস্থানে অভিযান চালানো হয়। সেই অভিযানে অফিসারদের বাড়ি থেকে প্রচুর পরিমাণে বেনামী সম্পত্তি, সোনার গয়না এবং নগদ টাকা উদ্ধার করেছে তদন্তকারি দল।#WATCH Karnataka ACB recovers approximately Rs 13 lakhs during a raid at the residence of a PWD junior engineer in Kalaburagi(Video source unverified) pic.twitter.com/wlYZNG6rRO ANI (@ANI) November 24, 2021সংবাদ সংস্থা এএনআই সুত্রে জানা গিয়েছে, অপরাধ দমন শাখার প্রায় ৪০০ জন অফিসার কর্নাটকের প্রায় ৬০টি জায়গায় বুধবার অভিযান চালিয়েছেন। তদন্তকারি দলের এক অফিসার মহেশ মেঘনানাভার, এসপি, নর্থ ইস্টার্ন রেঞ্জ, জানিয়েছেন সাড়ে তিন কোটি টাকার গয়না ছাড়াও প্রচুর পরিমানে নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে এই অভিযানে। তিনি আরও জানিয়েছেন কালবুর্গী শহরের এক পূর্ত দফতরের পিডব্লিউডি জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৫৪ লক্ষ টাকা, যার মধ্যে বাড়ির ভিতরের জলের পাইপ থেকেই উদ্ধার হয়েছে ১৩ লক্ষ টাকা।জলের পাইপ থেকে উদ্ধার হওয়া টাকার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে পড়ে। ভিডিও-তে দেখা যায় গোছা গোছা টাকা পাইপের ভিতর থেকে উদ্ধার করছে। তাঁর বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধারের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, জলের পাইপ থেকে রাশি রাশি টাকা বের করছেন অপরাধ দমন শাখার অফিসাররা।

নভেম্বর ২৪, ২০২১
বিদেশ

Taliban Brutality: পঞ্জশিরে তালিবানি বুলেটে ছিন্নভিন্ন শিশুর দেহ

মুখে অনেক বড় বড় কথা বললেও, তালিবানিরা আছে তালিবানিই। গত ২০ বছরে কিছুই বদলায়নি। যত দিন যাচ্ছে, একে একে নিজেদের উদার ভাবমূর্তি ক্রমশ ভয়ঙ্কর দাঁত-নখ বের করছে। শুধুমাত্র, সন্দে্হের বশে পঞ্জশিরের এক শিশুর দেহ নৃশংসভঅবে বুলেটে ছিন্নভিন্ন করল তালিবানরা। তাদের অনুমান, শিশুর বাবা প্রতিরোধ বাহিনীর সদস্য।পঞ্জশীরের পর্যবেক্ষকের রিপোর্ট অনুযায়ী, তালিবান এক শিশুকে হত্যা করেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তরফে একটি টুইট করা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে চারপাশে ছড়িয়ে আছে রক্ত। তার মধ্যে পড়ে রয়েছে এক শিশুর মৃতদেহ। তার চারপাশে বেশ কয়েকজন শিশুকে কাঁদতে দেখা যাচ্ছে। ওই পর্যবেক্ষক টুইটে লিখেছেন, শিশুর বাবা প্রতিরোধ বাহিনীর সদস্য, এমনটা সন্দেহ করেই শিশুকে হত্যা করেছে তালিবরা। তাঁর টুইটের সঙ্গেই রয়েছে সেই ভিডিও, যেখানে দেখা যাচ্ছে রাস্তার ওপর পড়ে আছে শিশুর নিথর দেহ।আরও পড়ুনঃ কোভিড প্রজন্ম ভিন্নভাবে ভাষা ব্যবহার করবেকয়েকদিন আগে আরও এক নৃশংসতাএ ছবি দেখা যায় আফগানিস্তানের হেরাট প্রদেশে। এক ব্যবসায়ী ও তাঁর ছেলেকে অপহরণের অভিযোগে তালিবানের সঙ্গে গুলির লড়াই হয় ওই চারজনের। চারজনকেই নিকেশ করে তালিবানিরা। এরপরই তাদের দেহ নিয়ে সড়কের মাঝখানে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়, যাতে সকলেই দেখতে পান। হেরাটের ডেপুটি গভর্নর মৌলবি সইর আহমেদ এমার জানান, অপহরণের খবর পেতেই তালিবানি যোদ্ধারা ওই অভিযুক্তদের খুঁজে বের করে এবং তাদের সঙ্গে গুলির সংঘর্ষ শুরু হয়। অপহরণের উচিত শাস্তি দিতে এবং বাকি অপহরণকারীদের সতর্ক করতে হেরাট স্কোয়ারে তাদের দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
বিদেশ

মুকুট নিয়ে টানাটানি, সুন্দরীদের লঙ্কাকাণ্ড!

আজব পরিস্থিতি তৈরি হল শ্রীলঙ্কার এক বিউটি কনটেস্টে। মিসেস শ্রীলঙ্কা ২০২১ প্রতিযোগিতায় বিজয়িনীর মাথায় মুকুট তুলে দিয়েও তা খুলে নেওয়া হল। সেই টানাহ্যাঁচড়ায় তিনি চোটও পেলেন। ভর্তি হতে হল হাসপাতালেও! তাঁর পরিবর্তে বিজয়ী ঘোষণা করা হল দ্বিতীয় স্থানাধিকারীকে।কেন একজনকে সেরার শিরোপা দিয়েও এভাবে তা সরিয়ে নেওয়া হল? এই কারণকে ঘিরে ঘনিয়েছে বিতর্ক। আসলে এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার নিয়ম হল, কেবল বিবাহিত মহিলারাই এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। কিন্তু দেখা যায়, ৩১ বছরের পুষ্পিকা ডি সিলভার বিয়ে হলেও পরে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে যায়। তাই তাঁকে সেরা হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেওয়া হয়।ক্যারোলিন জুরি, যিনি আগের বার বিজয়ী হয়েছিলেন, তিনি মঞ্চে এসে পুষ্পিকার মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন। কিন্তু এরপরই তিনি জানতে পারেন পুষ্পিকা বিবাহবিচ্ছিন্না। আর তাতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন ক্যারোলিন। সোজা মাইক হাতে তিনি বলে ওঠেন, এই প্রতিযোগিতার নিয়ম হল আপনাকে বিবাহিত হতে হবে। বিবাহ বিচ্ছিন্ন হলে চলবে না। তাই আমি আমার প্রথম পদক্ষেপ করছি। বিজয়িনীর মুকুটটা তুলে দিচ্ছি প্রথম রানার আপের মাথায়। কেবল বলাই নয়, এরপরই দ্রুত তিনি এগিয়ে যান পুষ্পিকার দিকে। আর তাঁর মাথা থেকে টানাটানি করে খুলে ফেলেন মুকুটটি। গোটা ঘটনায় হতভম্ব হয়ে যান পুষ্পিকা। তাঁর মাথায় আঘাতও লাগে টানাটানিতে। এরপর ক্ষুণ্ণ ভঙ্গিতে তিনি মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে যান।পরে অবশ্য ফেসবুককেই প্রতিবাদের মঞ্চ হিসেবে বেছে নেন তিনি। দাবি করেন, তিনি বিবাহ বিচ্ছিন্না নন। এই দাবি যাঁরা করছেন, তাঁদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন তাঁরা যেন পুষ্পিকার ডিভোর্সের কাগজপত্র দেখান। তাঁর এমন অপমানের প্রতিবাদ করে তিনি আইনের দ্বারস্থও হবেন বলে জানিয়ে দেন।

এপ্রিল ০৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তি নিয়ে সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক-কল্যাণের ওপর হামলায় বিজেপিকে নিশানা

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা, গ্রেফতারি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগকে সামনে এনে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যার পিছনে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তার পরদিনই লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসে। এই ধারাবাহিক ঘটনাগুলিকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।আক্রান্ত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে আক্রান্ত নেতার পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে উসকে দিয়ে বিজেপি স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের নামে নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মাঠে নামাচ্ছে। তাঁর দাবি, গণতান্ত্রিক বিরোধিতাকে দমন করতে রাজনৈতিক হিংসাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি এও প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীরবতা বা প্রশ্রয় ছাড়া এ ধরনের ঘটনা এত ঘনঘন ঘটতে পারে কি না।সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলা বরাবরই সৌজন্য, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। সেই বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে হিংসা, ভয় দেখানো বা গুন্ডামির কোনও স্থান নেই। তাই এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হিংসা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। সেই আবহেই তাঁর এই বার্তা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের সফরে ‘নীরব’ সোনারপুরের তৃণমূল! হামলা ঘিরে সামনে এল দলের অন্দরেই অস্বস্তির ইঙ্গিত

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি এক সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ছিল মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়। তাঁর জেলা সফর মানেই নেতাদের ব্যস্ততা, মঞ্চে নেতার সাথে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ছিল প্রতিযোগিতা। কিন্তু শনিবার সোনারপুরের ঘটনাপ্রবাহ যেন সম্পূর্ণ উল্টো ছবি তুলে ধরল।ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সোনারপুরে গিয়েছিলেন তৃণমূল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর এই কর্মসূচিতে স্থানীয় তৃণমূলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা-কাউন্সিলরের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যে এলাকায় অভিষেকের উপর বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেটি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। অথচ সেই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের কাউকেই কার্যত দেখা যায়নি ঘটনাস্থলের আশপাশে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, অভিষেকের সফরের আগে থেকেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কার কথা স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সেই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও কর্মসূচি বাতিল হয়নি। ফলস্বরূপ, নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং হামলার মুখে পড়তে হয় অভিষেককে।রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলর তৃণমূলের হলেও তাঁদের কাউকেই সামনে দেখা যায়নি। দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এলাকায় এমন এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যে অনেকেই প্রকাশ্যে বেরোতে সাহস পাননি। অন্যদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যানের ডাকা বৈঠকও শেষ মুহূর্তে হয়নি বলে খবর, যা ঘটনাকে ঘিরে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে।সোনারপুর উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক ও তৃণমূল নেত্রী ফিরদৌসি বেগমও জানিয়েছেন, তিনি অভিষেকের সঙ্গে যেতে চাইলেও তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় বেরোতে পারেননি। ফলে অভিষেকের পাশে স্থানীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এদিকে হামলায় ধৃত কয়েক জনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির দাবি, গ্রেফতার হওয়া কয়েক জনকে অতীতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় দেখা যেত। যদিও লাভলি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের কেউ নন, বরং বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্বকেও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, হামলার ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনুপস্থিতি দলীয় সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতার কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতৃত্বের এই দূরত্ব নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্বস্তি সেই জল্পনাই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

বন্ধ ফ্ল্যাটে দু’টি দেহ, পাশে নেশাগ্রস্ত তিন বন্ধু! গল্ফ গ্রিন কাণ্ডে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ কলকাতার গল্ফ গ্রিন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে অরবিন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে ওই দুই জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিলশাদ। তাঁর বয়স প্রায় ছাব্বিশ বছর। মৃত যুবতীর বয়স একুশ বছর। দুজন ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ দুটিতে পচন ধরেছিল। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার বিকেল থেকেই ওই আবাসনের আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে কেউ বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও রবিবার সকালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে শুরু করেন এলাকাবাসীরা। তখন সন্দেহ হয় একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে ঘিরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে এবং সেখান থেকেই উদ্ধার হয় যুবক ও যুবতীর দেহ।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক ও যুবতী। যুবকের বাড়ি তিলজলায় এবং যুবতীর বাড়ি রামগড় এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে আরও দুই যুবক ও এক যুবতী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ওই ফ্ল্যাটে থাকা যুবক-যুবতী নিয়মিত নেশা করতেন বলে এলাকায় পরিচিত ছিল। তিনি জানান, ঘটনার রাতে ফ্ল্যাটে আরও কয়েক জনের উপস্থিতির কথা স্থানীয়রা জানতে পেরেছিলেন। পরে পুলিশ এসে তাঁদের নিয়ে যায়।দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকজাতীয় সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গল্ফ গ্রিনের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রহস্যমৃত্যু, মাদক এবং ফ্ল্যাটে উপস্থিত অন্য তিন জনকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক ইস্যুতে বিক্ষোভ, তারপরই বড় পদক্ষেপ! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার-সহ ১০ জন। পুলিশকে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে রবিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হুগলির পিপুলপাতি এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল তৃণমূল। সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন।অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে রবিবার সকালে অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা, কাউন্সিলার রঞ্জন রাহা, নির্মল চক্রবর্তী, সমীর সরকার-সহ আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও কর্মী।পুলিশের দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে যাওয়ার পথে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি শুরু করে তৃণমূল। হুগলির পিপুলপাতির বিক্ষোভও ছিল সেই কর্মসূচিরই অংশ।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। বিরোধী ও শাসক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় মোড়! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, শুরু জোর রাজনৈতিক চর্চা

যুবভারতীতে মেসির সফর ঘিরে বিতর্কের ঘটনায় নতুন মোড় এল। আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শতদ্রু। তিনি লিখেছেন, সত্যের জয়। পাশাপাশি বর্তমান প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, ভয় দেখানো, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে অপরাধমূলক কাজের পরিকল্পনার মতো বিষয়।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো দে পল কলকাতায় এসেছিলেন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। যুবভারতীতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। দর্শকদের মধ্যে টিকিটের চাহিদা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে কালোবাজারির অভিযোগও সামনে আসে।তবে অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। দর্শকদের একাংশ গ্যালারি থেকে মাঠে নেমে পড়েন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দেশের অন্য শহরগুলিতে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও কলকাতার অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই সময় আয়োজক শতদ্রু দত্তও আইনি সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে মুখ খুলেছেন শতদ্রু দত্ত। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী তাঁর কাছে বিপুল সংখ্যক টিকিট ও প্রবেশপত্র চেয়েছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, টিকিট দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানানো হলে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এছাড়া অনুষ্ঠানের দিন একাধিক অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।শতদ্রুর আরও দাবি, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তার যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁকেই দায়ী করা হয়েছিল।এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে সকলের। অভিযোগগুলির সত্যতা প্রমাণিত হবে কি না, তা নির্ভর করছে তদন্তের ফলাফলের উপর। তবে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর যুবভারতীর সেই বহুচর্চিত মেসি-কাণ্ড আবারও রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের পর কল্যাণ! পরপর হামলায় বিস্ফোরক মমতা, বিজেপিকে বললেন ‘গণতন্ত্র হত্যাকারী’

পরপর দুদিনে দুই তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও হেনস্তার ঘটনার পর রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় আক্রান্ত হন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই ঘটনার পর সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সাংসদের উপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, এর পিছনে পরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিজেপিকে গণতন্ত্র হত্যাকারী বলেও কটাক্ষ করেছেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং লোকসভায় দলের অন্যতম প্রধান মুখ। অন্যদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই দুই নেতার উপর পরপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই তুলে ধরেছেন মমতা।শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর রবিবার চণ্ডীতলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। তাঁর দিকে ঢিল ছোড়া হয় এবং চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনাগুলির পর তৃণমূল কংগ্রেসও সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে। দলের দাবি, ঘটনাগুলি পূর্বপরিকল্পিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে হাসপাতাল-সংক্রান্ত বিতর্কও নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সোনারপুরের ঘটনার পর তাঁকে শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা প্রাথমিক পরীক্ষার পর ভর্তি করার প্রয়োজন দেখেননি। এই বিষয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।পরপর দুই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতাল বিতর্ক এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক আক্রমণকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ঝড়

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার পর এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল। একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।শনিবার সোনারপুরের ঘটনায় উত্তেজনার মধ্যে কলকাতায় ফিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষার পর জানানো হয়, তাঁর শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।এরপর তাঁকে শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা একই মত দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব।এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তার মধ্যে কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এই অডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী শিবিরের তরফে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা নিয়ে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। দলের একাংশের অভিযোগ, কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ভাইরাল অডিও এবং হাসপাতালকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। ফলে সোনারপুর কাণ্ডের রেশ এখন রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মে ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal